টেম্পার টেন্ট্রাম

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে শারীরিক স্বাস্থের প্রতি সবাই সচেতন থাকলেও মানষিক স্বাস্থ্যের প্রতি অনেকেই উদাসীন। কিন্তু একজন মানুষের মন তার শরীরের উপর বিরাট প্রভাব ফেলে।তাই মানষিক স্বাস্থ্য ও শারীরিক স্বাস্থ্যের মতোই গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের জণগণের একটি বিরাট অংশ কিশোর ও যুবক।আর কিশোর ও যুবকদের কথা আসলেই চলে আশে বদমেজাজের কথা।কিন্তু আসলেই কি সব রাগের প্রকাশ বদমেজাজ?

উত্তরটি হলো না,সব রাগের বহিঃপ্রকাশ বদমেজাজ না।একটি নির্দিষ্ট বয়সে কিংবা হতাশাগ্রস্ততার কারণে কেউ কিছু সময়ের জন্ন্যে রাগের বহিঃপ্রকাশ দেখাতে পারে।কিন্তু রাগের এই বহিঃপ্রকাশ যখন কোনো কারন ছাড়াই ছোট খাটো বিষয়ে প্রকাশ পায় এবং বয়স বৃদ্ধির সাথে যখন এই রাগের বহিঃপ্রকাশ ও বৃদ্ধি পায় তখন তাকে বলে টেম্পার টেন্ট্রাম।শুনতে খুব সাধারণ মনে হলেও বিষয়টি এতটাও সাধারণ না।কারণ যখন একজন কিশোর বা যুবক টেম্পার টেন্ট্রাম এ ভোগে তখন সে যেভাবে পারে এবং যে কারো সাথে নিজের রাগ প্রকাশ করে।সে তার নিকট আত্মীয় এমনকি তার বাবা-মা ও হতে পারে।

সে যখন তার রাগ প্রকাশ করে তখন তার নিজের উপর কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না।কিন্তু পরে সে যখন সব বুঝতে পারে তখন সে অনুতপ্ত হয় এবং বাবা-মায়ের ও এই বিষয়ে ধারনা না থাকায় তারা মনে করে ছেলে বদমেজাজী। ফলে তারাও ছেলেকে বুঝানো কিংবা সঠিক উপদেশ দেয়ার জায়গায় বকাঝকা করে যার ফলে ছেলের মানষিকভাবে আরও বিপর্যস্ত হয়ে পরে।আশেপাশের মানুষদের ও তার প্রতি বিরূপ আচোরণ থাকে এবং সব মিলিয়ে একসময় সে ডিপ্রেশনে চলে যায়।এতে করে তার মেজাজ আরও বেশি চটচটে হয়ে যায় এবং সে নিজেকে একা রাখতেই বেশি পছন্দ করে।

টেম্পার টেন্ট্রাম পুরোপুরি রোধ করা না গেলেও বাবা-মায়ের সঠিক উপদেশ, বন্ধুত্তপূর্ণ আচোরণ এবং মানানসই পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে অনেকাংশেই এই সমস্যা সমাধান করা যায়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top