Self – Motivation by Mithila Farjana

মোটিভেশান, শব্দটা কম বেশি সবার জন্যই পরিচিত। এটা এমন একটা বিষয় যেটা আমাদের জীবনের প্রতিটা মোড় অথবা প্রতিটা ক্ষেত্রেই প্রয়োজন হয়।একটা ছোট্ট শিশু হতে শুরু করে একটা প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি, যেকোন কাজ শুরুর আগে ব্যক্তির নিজের সেল্ফ মোটিভেশান প্রয়োজন।এই সেল্ফ মোটিভেশানই সেল্ফকনফিডেন্স ও কিছু সময় সেল্ফ সেটিসফেকশান বাড়ায়। তবে এই যে মোটিভেশান মোটিভেশান শব্দটা যে এতবার বলা হচ্ছে এটাই বা কোথা থেকে আসবে?চারপাশ থেকে তো কেবল মোটিভেশান আশা করলেই হবে না।আর এমনটাও না যে কাউকে মোটিভেট করার জন্য তার পাশে সর্বদা কেও না কেও থাকবে, যেটা কিনা কোনো দিন সম্ভবও না। তাই নিজের মোটিভেটর তো নিজেরই হতে হবে।আমাদের সবার মধ্যেই কিছু না কিছু সুপ্ত প্রতিভা লুকিয়ে থাকে।সেই সুপ্ত প্রতিভাটাকে কাজে লাগিয়ে ব্যক্তি তখনই সফল হয়, যখন সে নিজে প্রতিভাটাকে কাজে লাগাতে দৃঢ়ভাবে চায়।নিজের ইচ্ছাশক্তিটাকে আরও জোরাল করা, সেটাকে কনফিডেন্স দেয়াই তো সেল্ফমোটিভেট।নিজের আপন শক্তিকে জাগিয়ে তোলা,নিজের কাজকে সম্মান জানিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়াই তো সেল্ফমোটিভেট।হ্যাঁ, অনেক সময় হতাশাগ্রস্ত হলে, আমাদের মনে হয় অন্য একজন পাশে থেকে মোটিভেট করলে বোধহয় ভালো হয়।তবে পাশ দিয়ে একজন মানুষ কেবল সহানুভূতিই জানাতে পারবে, সে হয়তো কিছু পরামর্শ দিবে শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে। তবে প্রতিটি ব্যক্তি সবশেষে সেটাই করে যেটা তার মন নির্ধারণ করে।সেল্ফ মোটিভেশান তাই এইজন্যই দরকার মানুষ নিজের খারাপটা যেমন সব থেকে বেশি বুঝে তেমনি নিজের ভালোটাও সব থেকে বেশি বুঝে।তাই পাশ দিয়ে মোটিভেশনাল স্পিচ পাওয়ার থেকেও নিজেকে নিজে মোটিভেট করা বেশি জরুরি,এটাই সুখী, সফল ও সম্মানিত হতে বেশি সাহায্য করবে।কোনোদিন রাগে-কষ্টে ভেঙ্গে পরলেও নিজেকেই নিজেই বলতে হবে,”আমার আমিটা এতটাও দুর্বল না, আমি সবল,আত্মবিশ্বাসি এবং আমি পরিস্থিতির সাথে নিজেকে মানিয়ে চলতে জানি”।কিন্তু কিছু বিষয় আছে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রেক্ষাপটে একটা জিনিস খুব পরিষ্কার ভাবেই বলা যায়,”কাধে জোয়াল পরলে মানুষ সবই করতে শিখে”তাই খেটে খাওয়া মানুষগুলো তাদের পেটের দায়ে সবসময়ই সেল্ফমোটিভেট থাকে।তারা জানে তাদের বসে থাকলে চলবে না, বাস্তবতা হলো নিত্যদিনের সাথী কেউই তা এড়াতে পারবেনা। তাই তারা পরিস্থিতির চাপে পরে হলেও মোটিভেট হয় নিজস্ব এই মোটিভেশান তাদের শক্ত হতে সাহায্য করে।সেল্ফমোটিভেশানকে এতটাই গুরত্ব দেয়া হয় কারণ এটা নিজের আগ্রহ, লক্ষ্য, আর সুদুরপ্রসারি চিন্তা ভাবনা তৈরিতে অনেক বড় ভূমিকা রাখে।তাই নিজেকে প্রতিনিয়তই মোটিভেট করে যেতে হবে, তবেই জীবন সুন্দর,সফল ও সতেজ হয়ে উঠবে।
Name:Mithila Farjana
Institution:Monipur High School and college

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top