Photography By A.S Jahin

ফটোগ্রাফির ব্যাসিক কথা

আমরা অনেকেই ফটোগ্রাফির করি বা করতে পছন্দ করি। ফটোগ্রাফির তিনটি ব্যাসিক জিনিস হলো অ্যাপারচার,আইএসও এবং শাটার স্পিড।

অ্যাপারচার:
অ্যাপারচারকে একটি লেন্সের উদ্বোধন হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে। যার মাধ্যমে ক্যামেরায় আলো প্রবেশ করে। আপনার চোখ কীভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে আপনি যদি কেবল চিন্তা করেন তবে এটি বোঝা সহজ । আপনি যেমন উজ্জ্বল এবং অন্ধকার পরিবেশের মধ্যে চলেছেন, আপনার চোখের আইরিসটি আপনার পিউপিলের আকারকে নিয়ন্ত্রণ করে, প্রসারিত বা সঙ্কুচিত হয়।

ফটোগ্রাফিতে আপনার লেন্সের “পিউপিল “কে অ্যাপারচার বলা হয়। আপনার ক্যামেরা সেন্সরে কম বা বেশি আলো পৌঁছানোর জন্য আপনি অ্যাপারচারের আকারটি সঙ্কুচিত বা বাড়িয়ে তুলতে পারেন।

আইএসও:
খুব মৌলিক ভাষায়, আইএসও হলো একটি ক্যামেরা সেটিং যা কোনও ফটো আলোকিত বা অন্ধকার করে তুলবে। আপনি যখন নিজের আইএসও নম্বর বাড়িয়ে দেবেন, আপনার ফটোগুলি ধীরে ধীরে আরও উজ্জ্বল হবে। সেই কারণে, আইএসও আপনাকে অন্ধকার পরিবেশে চিত্রগুলি ক্যাপচার করতে পারেন।

শাটারের স্পিড:
শাটার স্পিড হলো ক্যামেরার শাটারটি খোলা থাকার মোট সময়। এ সময়ে ক্যামেরা সেন্সরে আলো প্রকাশ করে। মূলত, আপনার ক্যামেরা কোনও ফটো তোলাতে কত সময় ব্যয় করে তাই হলো সাটার স্পিড। আপনার ছবিগুলি কীভাবে প্রদর্শিত হবে তাতে এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে।

আপনি যখন একটি দীর্ঘ শাটার গতি ব্যবহার করেন, আপনি আপনার সেন্সরটিকে বেশি সময়ের জন্য উন্মুক্ত করেন। এর প্রথম বড় প্রভাব “মোশন ব্লার”। যদি আপনার শাটারের গতি দীর্ঘ হয় তবে আপনার ছবিতে চলমান বিষয়গুলি গতির দিকের সাথে ঝাপসা হয়ে দেখা দেবে। এই প্রভাবটি গাড়ি এবং মোটরবাইকগুলির বিজ্ঞাপনগুলিতে প্রায়শই ব্যবহৃত হয়।

এই তিনটি ব্যাসিক উপাদান এর কথা মাথায় রাখলেই আমরা মেনুয়াল পদ্ধতিতে ছবি তুলতে পারি।

A.S Jahin
Mirpur Cantonment Public School and College

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top