কফি

কফি বিশ্বব্যাপী খুবই জনপ্রিয় পানীয় ৷ পানির সাথে ফুটিয়ে রান্না করা “কফি বীজ” নামে পরিচিত এক প্রকার বীজ পুড়িয়ে গুঁড়ো মিশিয়ে কফি তৈরি করা হয় ৷ এই বীজ  কফি চেরি নামক একধরনের ফলের বীজ৷ প্রায় ৭০ টি দেশে এই ফলের গাছ জন্মে ৷

ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৫৯৮ সালে ডাচ “koffee” শব্দের মাধ্যমে coffee শব্দটি ইংরেজি ভাষায় গৃহীত হয়৷ এই ডাচ শব্দটি এসেছে তুর্কি শব্দ “kahve” থেকে আবার তুর্কি শব্দটি আরবি শব্দের উচ্চারণভেদ ৷ পৃথিবীর সর্বপ্রথম কফি পানের প্রমান পাওয়া যায় ১৫০০ শতাব্দীতে ইয়েমেনে ৷

কফি গাছ সাধারণত উচ্চতায় ২০ থেকে ৩০ ফুট ৷ ফুলের রঙ সাদা হয় এবং ফলের ভেতর মিষ্টি শাঁসে মোড়ানো ২টি বিন থাকে ৷ অনেক ধরনের কফি গাছের মধ্যে পূর্ব আফ্রিকার ইথিওপিয়ার কফিয়া আরাবিকা স্বাদ ও গন্ধে অতুলনীয় ৷

বিশ্বব্যাপী কফির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে ৷ কফির  বীজ ৭০ টি দেশে উৎপাদিত হয় ৷ International Coffee Organization এর তথ্য অনুযায়ী, “১৯৯১ সালে সারা বিশ্বে ৬০ কেজি ওজনের কফি ব্যাগ বিক্রি হত ৯ কোটি যা ২০১৮ সালে গিয়ে দাঁড়ায় ১৬ কোটিতে

কফির অনেক উপকারিতা রয়েছে যেমন কফি মানসিক শক্তি বৃদ্ধি করে, ডায়াবেটিস,ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় এবং মেদ কমাতে ভূমিকা রাখে কিন্তু অতিরিক্ত কফি পান করার ফলে  মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে তাই পরিমিত কফি পান করাই উত্তম ৷

শরীর ও মনকে ভালো রাখতে কফির তুলনা হয় না ৷ কফির প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করতে প্রতিবছর ১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক কফি দিবস পালন করা হয় ৷

1 thought on “কফি”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top